সিরাজগঞ্জে মুক্তিযুদ্ধের প্রথম দৃঢ় প্রতিরোধের ইতিহাস

ঘাটিনা রেলওয়ে ব্রিজ

রেজওয়ান
  • আপডেট সময় : ০৬:২৯:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ৮৮১ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সিরাজগঞ্জ এর সর্বশেষ ও জনপ্রিয় লেখা অনুসরণ করতে গুগল নিউজফিড দেখুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সিরাজগঞ্জ জেলার প্রথম প্রতিরোধ যুদ্ধ সংঘটিত হয় ঘাটিনা রেলওয়ে সেত্রকে কেন্দ্র করে। স্বাধীনতার সূচনালগ্নে এই স্থানটি পরিণত হয়েছিল এক রক্তক্ষয়ী ও গৌরবোজ্জ্বল যুদ্ধক্ষেত্রে।

 

২০ থেকে ২৪ এপ্রিল ১৯৭১ পর্যন্ত সিরাজগঞ্জ উপজেলার ঘাটিনা রেল সেতুর পশ্চিম পাড়ে পাকবাহিনীর সাথে মুক্তিযোদ্ধাদের তীব্র সংঘর্ষ হয়। এ যুদ্ধের নেতৃত্ব ও তত্ত্বাবধানে ছিলেন সিরাজগঞ্জের সাবেক এসডিও শহীদ সামসুদ্দিন আহমেদ, তৎকালীন উত্তরবঙ্গের বৃহত্তম মুক্তিযোদ্ধা সংগঠন পলাশডাঙ্গা যুব শিবিরের পরিচালক মরহুম আব্দুল লতিফ মির্জা এবং আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক এম.পি.এ অ্যাডভোকেট গোলাম হাসনাইন।

 

শতাধিক মুক্তিযোদ্ধা এই যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে সাহসিকতার সাথে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণে অন্তত পাঁচজন পাক সেনা নিহত হয়। তবে এই বীরত্বপূর্ণ লড়াইয়ে জাতির জন্য আত্ম উৎসর্গ করেন ২০ জন মুক্তিসেনা, যারা শাহাদাত বরণ করে ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন।

আরো পড়ুন: ভৌতিক জয়সাগর

আজ ঘাটিনা মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ শুধু একটি স্থাপনা নয়, এটি সিরাজগঞ্জের মুক্তিযুদ্ধের প্রথম প্রতিরোধ, ত্যাগ ও গৌরবের এক জ্বলন্ত দলিল।

লেখাটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

সিরাজগঞ্জে মুক্তিযুদ্ধের প্রথম দৃঢ় প্রতিরোধের ইতিহাস

ঘাটিনা রেলওয়ে ব্রিজ

আপডেট সময় : ০৬:২৯:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সিরাজগঞ্জ জেলার প্রথম প্রতিরোধ যুদ্ধ সংঘটিত হয় ঘাটিনা রেলওয়ে সেত্রকে কেন্দ্র করে। স্বাধীনতার সূচনালগ্নে এই স্থানটি পরিণত হয়েছিল এক রক্তক্ষয়ী ও গৌরবোজ্জ্বল যুদ্ধক্ষেত্রে।

 

২০ থেকে ২৪ এপ্রিল ১৯৭১ পর্যন্ত সিরাজগঞ্জ উপজেলার ঘাটিনা রেল সেতুর পশ্চিম পাড়ে পাকবাহিনীর সাথে মুক্তিযোদ্ধাদের তীব্র সংঘর্ষ হয়। এ যুদ্ধের নেতৃত্ব ও তত্ত্বাবধানে ছিলেন সিরাজগঞ্জের সাবেক এসডিও শহীদ সামসুদ্দিন আহমেদ, তৎকালীন উত্তরবঙ্গের বৃহত্তম মুক্তিযোদ্ধা সংগঠন পলাশডাঙ্গা যুব শিবিরের পরিচালক মরহুম আব্দুল লতিফ মির্জা এবং আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক এম.পি.এ অ্যাডভোকেট গোলাম হাসনাইন।

 

শতাধিক মুক্তিযোদ্ধা এই যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে সাহসিকতার সাথে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণে অন্তত পাঁচজন পাক সেনা নিহত হয়। তবে এই বীরত্বপূর্ণ লড়াইয়ে জাতির জন্য আত্ম উৎসর্গ করেন ২০ জন মুক্তিসেনা, যারা শাহাদাত বরণ করে ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন।

আরো পড়ুন: ভৌতিক জয়সাগর

আজ ঘাটিনা মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ শুধু একটি স্থাপনা নয়, এটি সিরাজগঞ্জের মুক্তিযুদ্ধের প্রথম প্রতিরোধ, ত্যাগ ও গৌরবের এক জ্বলন্ত দলিল।